• ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Madhya Pradesh

দেশ

“৪ রাত ঘুমোননি, ফোনে ফোনে হুমকি”—এসআইআরের অতিরিক্ত চাপে প্রাণ গেল দুই স্কুলশিক্ষকের

মধ্যপ্রদেশে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দুই স্কুলশিক্ষকের মৃত্যুতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুজনই বুথ লেভেল অফিসার (BLO) হিসাবে এসআইআর-এর দায়িত্বে ছিলেন। পরিবার ও সহকর্মীদের অভিযোগঅতিরিক্ত কাজের চাপ, অমানবিক ডেডলাইন এবং বারবার সাসপেন্ড করার ভয় দেখানোই মৃত্যুর মূল কারণ। বাংলায় যেভাবে এসআইআর-এর আতঙ্ক ছড়িয়েছে, ঠিক তেমনই পরিস্থিতি এবার মধ্যপ্রদেশেও তৈরি হয়েছে।রাইসেন জেলার বাসিন্দা রমাকান্ত পান্ডে মন্দিদীপ এলাকায় বিএলও হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর স্ত্রী রেখা পান্ডে জানিয়েছেন, গত চার রাত রমাকান্ত একটুও ঘুমোননি। ফোনে ফোনে এসআইআরের কাজ নিয়ে তাগাদা, ডেডলাইন মেটানোর চাপ এবং সাসপেন্ড হওয়ার আতঙ্কে তিনি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে একটি অনলাইন মিটিং চলাকালীন আচমকাই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন তিনি। আর ওঠেননি।এর ঠিক এক দিন পর, দামোহ জেলার সীতারাম গোন্দ (৫০)-র মৃত্যু হয়। তিনি রঞ্জরা ও কুড়াকুড়ান গ্রামে এসআইআর-এর দায়িত্বে ছিলেন। সেদিন ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করতে গিয়েই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে জব্বলপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শুক্রবার রাতেই মৃত্যু হয়। তাঁর সহকর্মীরা জানান, প্রায় ১৩০০ জন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করে আপলোড করতে হত তাঁকে, কিন্তু সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি।এর আগেও মধ্যপ্রদেশের আরেক শিক্ষক ভুবন সিং চৌহানের মৃত্যু হয়েছিল। তিনিও BLO ছিলেন এবং কিছুদিন আগে দায়িত্বে ত্রুটির অভিযোগে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। পরিবার অভিযোগ করে, এসআইআরের কাজের চাপই তাঁর মৃত্যু ডেকে এনেছে।এই ঘটনাগুলি সামনে আসতেই শিক্ষক মহলে ক্ষোভ বেড়েছে। বাংলায় ইতিমধ্যেই একাধিক BLO-র মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, BLO-দের উপর অতিরিক্ত চাপ বন্ধ করতে হবে। ঠিক একই অভিযোগ এবার মধ্যপ্রদেশেও দেখা যাচ্ছে।এসআইআর সংক্রান্ত কাজ দেশজুড়ে কী পরিস্থিতি তৈরি করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ডেডলাইন, স্ট্রেস, ভয় এবং অনবরত চাপসব মিলিয়ে BLO-দের উপর যে মানসিক ও শারীরিক প্রভাব পড়ছে, তারই করুণ পরিণতি তুলে ধরল মধ্যপ্রদেশের দুটি মৃত্যু।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

অবাক করা কাণ্ড, ট্রেনের নীচে চাকার মাঝে ২৫০ কিলোমিটার যাত্রা যুবকের!

টিকিট কাটার পয়সা নেই!তাই ট্রেনের নীচে চাকার মাঝে শুয়ে ২৫০ কিলোমিটার এল যুবক। মধ্যপ্রদেশের জবলপুর স্টেশনে দাঁড়িয়েছিল ট্রেন। রেলওয়ে কর্মীরা ইন্সপেকশন করছিলেন গাড়িটির। সেই সময়ই এক কামরার তলা থেকে কিছু আওয়াজ পান তাঁরা। কিছু কি আটকে গেছে যার জন্য বিপদ হতে পারে, এমন প্রশ্নই এসেছিল তাদের মনে। কিন্তু সেই সন্দেহ দূর করতে গিয়ে যা দেখলেন তাতে আরও অবাক সকলে। ট্রেনের কামরার নীচ থেকেই বেরিয়ে এলেন আস্ত এক মানুষ! ট্রেনের কামরার নীচে লুকিয়েই চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যাত্রা করে এসেছিলেন ওই ব্যক্তি! দূরত্বের হিসেব করলে তা হয় প্রায় ২৫০ কিলোমিটার! পুনে-দানাপুর এক্সপ্রেসের এসি-৪ কামরার তলার চাকার ফাঁকই ছিল ওই যুবকের সিট! যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে সে জানিয়েছে পকেটে টাকা না থাকার জন্যই নাকি এমন অদ্ভুত ট্রেন যাত্রা তাঁর।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
নিবন্ধ

খাজুরাহো মন্দিরের ভাস্কর্য ও স্থাপত্য চান্দেলা রাজবংশের অনন্য কীর্তি

চান্দেলা রাজ বংশের অমর কীর্তি খাজুরাহের মন্দির সমূহ। ভাস্কর্য, স্থপতি শিল্প, ধর্ম, পুরাকথা আর ভারতীয় সংস্কৃতির এত সুন্দর মেল বন্ধন ভারতের আর কোথাও দেখতে পাওয়া যায় বলে মনে হয় না। পশ্চিম,পূর্ব, ও দক্ষিণ মন্দির সমুহ মিলে অপূর্ব এক গ্রন্থি বন্ধন করে খাজুরাহতে। প্রতিটি মন্দির ভারতীয় শাস্ত্রীয় স্থাপত্য শিল্পের রীতি মেনে, মণ্ডপ,অর্ধ মণ্ডপ,মহা মণ্ডপ, অন্তরলয়, গর্ভগৃহ এই ভাবে বিভক্ত। প্রধান মন্দির গুলি হলো, লক্ষণ মন্দির,বরাহ মন্দির, কান্ডারিয়া মহাদেব মন্দির,জগদম্বি মন্দির,চিত্রগুপ্ত মন্দির,বিশ্বনাথ মন্দির, জাভেরি মন্দির, বামন মন্দির, ব্রহ্মা মন্দির, আদিনাথ মন্দির ও পার্স্বনাথ মন্দির। এর মধ্যে শেষের দুটি জৈন মন্দির হলেও এর মধ্যেও খাজুরাহ শৈলী লক্ষ্য করা যায়। খাজুরাহ মন্দিরের বিশেষত্ব হলো অপূর্ব সুন্দর ভাস্কর্য। চান্দেলা রাজবংশের অনন্য কীর্তিসারা পৃথিবীর কাছে এর আকর্ষণ হলো কামোত্তেজক বা যৌন আবেদন মূলক মূর্তি। তবে বলে রাখা ভালো যে তার সংখ্যা এতটাই কম যে সেটি নিয়ে মাতামাতি করা শোভা পায়না। ঐতিহাসিক মতে ওই মূর্তি গুলি, তান্ত্রিক চর্চা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। নবম - দশম শতাব্দী তে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের বিরোধিতা করে তান্ত্রিক ও ভক্তি ধারার ব্যাপক প্রচার ঘটে। সেই প্রভাব থেকেই এই ধরনের প্রতিবাদী ধারার প্রচলন বলে মনে হয়। পশ্চিম মন্দির সমূহের মধ্যে সব চেয়ে বড় হলো কান্ডারিয়া মহাদেব মন্দির। এই মন্দিরে শিব পূজিত হন। এটিতে ৮৪ টি শিখর লক্ষ্য করা যায়,যাতে ১০০০ কাছাকাছি অপ্সরা মূর্তি, দশ দিকের দশ দিকপালের মূর্তি ও বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশা ও চন্দেলা বংশের প্রতীক সিংহ মূর্তি দেখা যায়। এটি চান্দেল রাজ বিদ্যাধর বানিয়েছিলেন। এর এক চত্বরে আছে জগদম্বী মায়ের মন্দির। যা নবরাত্রি চলাকালীন প্রাণ পায়,ভক্তদের আনাগোনায়। এই কদিন সেখানে অবাধ যাতায়াত করা যায়, দেবীর দর্শনের জন্য।প্রতিটি মন্দির উত্তর ভারতীয় ঘরানাতে বা নাগরা শৈলী তে বানানোএই মন্দিরটি আগে বিষ্ণুর মন্দির ছিল, পরে এটি দেবীকে উৎসর্গ করা হয়। প্রতিটি মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজার শোভিত রয়েছেন দুই দেবী - গঙ্গা যার বাহন মকর আর যমুনা যার বাহন কচ্ছপ। এই দুই দেবী একাধারে পবিত্রতার প্রতীক তার সাথে হিমালয়ের প্রতীক। মন্দির গুলির ভার বহন করছে হাতির দল,যা শক্তি আর বুদ্ধির প্রতীক।এই মন্দিরগুলি সাধারণ ভাবে বেলেপাথর দিয়ে তৈরি,তবুও পাথরে রঙের বৈচিত্র্যতা লক্ষ্য করা যায়। যত গাঢ় রঙের পাথর ততোধিক শক্ত, যত হালকা তত নরম। ফলে প্রায় ১০০০ বছর ধরে ক্ষয় হয়েছে হালকা রঙের পাথরের মূর্তি। তার সাথে চুরিও হয়েছে আরো অনেক। তবুও ভাবতে অবাক লাগে, যে এত বছর আগে শুধু মাত্র ছেনি আর হাতুড়ি দিয়ে এই অপূর্ব সৃষ্টি কি ভাবে সম্ভব হলো!প্রতিটি মন্দির উত্তর ভারতীয় ঘরানাতে বা নাগরা শৈলী তে বানানো। এই মন্দির প্রতিষ্ঠার পৃষ্ঠপোষক হিসাবে নাম নেওয়া যেতে পারে, চান্দেল রাজ যোশবর্মন এবং বিদ্যাধর এর। তাদের সময়ে চন্দেল রাজবংশ প্রভাব ও প্রতিপত্তি তে অনেক বড় হয়ে ওঠে। তারই ফল স্বরূপ এই মন্দিরের স্থাপনা। যা আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের কথা। কিছু মন্দিরে ইসলামি স্থাপত্যের ও ছোঁয়া দেখা যায়,যা আবারো আমাদের সম্প্রীতির কথা মনে পরিয়ে দেয়। এক কথায় ,যেমন এখনকার মানুষ জন বলে থাকেন,যে খাজুরাহ এর মন্দিরে শিল্পীরা গোটা ব্রহ্মাণ্ড কে ধরার চেষ্টা করেছেন, ঠিক তেমনই বলা যায় ভারতবর্ষ কেও ধরা আছে এই খাজুরাহর প্রতি টি মন্দিরের কোনায় কোনায়।শ্রেয়া ঘোষ (শিক্ষিকা)বর্ধমান

অক্টোবর ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আসল মন্ত্রীর ব্যাটে চাপ কাটিয়ে উঠল বাংলা

এভাবেও ফিরে আসা যায়! বাংলাকে না দেখলে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারেই দুজন ব্যাটার সাজঘরে। চতুর্থ ওভারে আরও একজন। ১৬ ওভারের মধ্যে ৫৪ রানে ৫ উইকেট। সেখান থেকে দিনের শেষে ৫ উইকেটে ১৯৭। বাংলার এই প্রত্যাবর্তনের নায়ক মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে চাপ কাটিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বাংলার।দিনের শুরুতে বাংলাকে অবশ্য চাপে ফেলেছিল মধ্যপ্রদেশের দুই ব্যাটার হিমাংশু মন্ত্রী ও পুনীত দুবে। দলকে বড়ে রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩২৩ রানের মাথায় জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। পুনীত দুবেকে তুলে নেন। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন পুনীত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন পুনীত। তিনি আউট হওয়ার ৪ ওভার পরেই হিমাংশু মন্ত্রীকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ৩৩৭ বলে ১৬৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন হিমাংশু। তিনি উইকেটের পেছনে অভিষেক পোড়েলের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ১০৫.৩ ওভারে ৩৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ইনিংস। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৬৬ রানে ৪টি ও শাহবাজ আমেদ ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন আকাশ দীপ। ১টি উইকেট নেন প্রদীপ্ত প্রামানিক।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। ব্যর্থ দুই ওপেনার অভিষেক রমন (০) এবং সুদীপ কুমার ঘড়ামি (০)। প্রথম ওভারেই কুমার কার্তিকেয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলার এই দুই ব্যাটার। চতুর্থ ওভারে সারাংশ জৈনর বলে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অনুষ্টুপ মজুমদার। অধিনায়ক অভিমূন্য ঈশ্বরণ ২২ রান করে আউট হন পুনীত দুবের বলে। অভিষেক পোড়েলকেও (৯) পুনীত দুবে। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। অসমাপ্ত জুটিতে দুজনে তুলেছেন ১৪৩ রান। এই জুটিই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাকে। দিনের শেষে মনোজ ৮৪ রানে ও শাহবাজ ৭২ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২২
দেশ

Lightning Killed: তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে বজ্রপাতে একদিনেই মৃত্যু ৬৮ জনের!! মোট তিনটি রাজ্যে বাজ পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এই মানুষগুলোর। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বজ্রপাতের মধ্যে সবথেকে বেশি বজ্রপাত হয়েছে উত্তরপ্রদেশেই। রবিবার বিকেল থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু অতিরিক্ত বাজ পড়ে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের একাধিক জায়গায়। কেবল উত্তরপ্রদেশেই বাজ পড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১-এ। মধ্য প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের, রাজস্থানে ২০ জনের। আহতের সংখ্য়াও প্রায় একশোর কাছাকাছি।জানা গিয়েছে, জয়পুরে একটি ওয়াচটাওয়ারে নিজস্বী তুলতে গিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিএই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিন্দিতে টুইট করে লিখেছেন, রাজস্থানের কিছু এলাকায় বজ্রাঘাতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। মৃতদের পরিবারকে জানাই গভীর সমবেদনা। শোকপ্রকাশের পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলট ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াও শোকপ্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়।PM @narendramodi has announced an ex-gratia of Rs. 2 lakh each from PMNRF to the next of kin of those who lost their lives due to lightning in parts of Rajasthan. Rs. 50,000 would be provided to the injured. PMO India (@PMOIndia) July 12, 2021রাজস্থানে মৃতদের মধ্যে ১১ জন জয়পুর, চার জন কোটা, তিন জন ঢোলপুর, এক জন ঝালওয়ার ও এক জন বারানের বাসিন্দা। জয়পুরের আমের এলাকায় একটি ওয়াচটাওয়ারে ৪০ মিনিটের মধ্যে পর পর দুবার বাজ পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরের সওয়াই মান সিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Corona-Delta Strain: ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে

দেশে আগেই থাবা বসিয়েছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। এ বার বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। মধ্যপ্রদেশে আরও সাতজনের দেহে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলল। মৃত্যুও হয়েছে দুইজনের।করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা কতটা, তা এখনও জানা না গেলেও ক্রমশ বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তবে গোটা দেশ নয়, আপাতত কয়েকটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে করোনার এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কেরলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজনের খোঁজ মিলেছে। চিন্তা বাড়িয়ে মধ্যপ্রদেশেই ক্রমশ বাড়ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের গতকালই দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে মধ্যপ্রদেশ থেকেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে সাতজন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, এদের মধ্যে দুজন আবার ভ্যাকসিন নেননি। তিনজন রোগী, যাঁরা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অধিকাংশই ভোপালের বাসিন্দা, এছাড়া উজ্জয়ীন ও অশোকনগর জেলার এক বাসিন্দাও রয়েছেন।যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবতী ছিলেন এবং অপরজন দুবছরের একটি শিশু। জানা গিয়েছে, গত মাসেই তাঁরা সকলে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হলে জুন মাসে তার রিপোর্ট আসে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেই অভিযোজিত হয়ে তৈরি ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইজ়ারল্যান্ড, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও চিনেও মিলেছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনও বিশদে তথ্য জানা যায়নি।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে ২৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ১ টি আসনে কংগ্রেসকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই জিতে গিয়েছে বিজেপি। তারা এগিয়ে রয়েছে ১৯ টি আসনে। কংগ্রেস ৭ টি ও বহুজন সমাজ পার্টি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত , গত মার্চ মাসে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তার ফলে রাজ্যে ২৭ টি বিধানসভা আসন খালি হয়ে যায়। পতন হয় কমলনাথ সরকারের। ফের ক্ষমতায় চলে আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন শিবরাজ সিং চৌহান। আরও পড়ুন ঃ নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের ২৮টির মধ্যে ২৫ আসনেই কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যাওয়া বিধায়কদের প্রার্থী করেছিল গেরুয়া শিবির। এদের মধ্যে ১২ জন আবার রাজ্যের মন্ত্রী। এদিন তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর আসন সুনিশ্চিত করলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। অন্যদিকে, নির্বাচনে ইভিএম জালিয়াতির অভিযোগ তুললেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেন, ইভিএম একশো শতাংশ নিরাপদ নয়। সীমিত পর্যায়ে ইভিএমে জালিয়াতি করা যেতে পারে।জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলছেন, কংগ্রেসের অপপ্রচারে কান না দিয়ে উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন মানুষ। আর কমলনাথ বলছেন, মানুষের রায় আমাদের মেনে নিতেই হবে।

নভেম্বর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

“ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট কোথায়?”—ভোট দিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ভবানীপুর কেন্দ্রের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন।তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তাঁর অভিযোগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে, এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এমন কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এটিকে আদালত অবমাননা বলে উল্লেখ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিমের মতো একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি সেই সব ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমকে দেখিয়েছেন।নিজের এলাকায় কী হয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাড়াতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মারধর করেছে এবং অনেককে ভোট দিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানান এবং বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জয়ী হবে।মমতা বলেন, তিনি নিজে দেখেছেন কোথায় কীভাবে আচরণ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ভয় দেখানো হল এবং স্বচ্ছতা কোথায় রইল। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনও দেখেননি।শেষে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্বাচন দেখেছেন, কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন আগে কখনও দেখেননি।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফলতায় ভোট নিয়ে বড় ধাক্কা! গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত কমিশনের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গোটা ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে।তিনি বলেন, যেসব বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলি ওয়েব কাস্টিং এবং অবজারভারদের রিপোর্ট দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কমিশন একেবারে শূন্য সহনশীলতার নীতি নিয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।ফলতার ২৫২, ২৩৫, ২২৬, ১৮৬ এবং ২৪১ নম্বর বুথে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে। একই ধরনের অভিযোগ মগরাহাট থেকেও এসেছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্বাচন হলে তা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই হতে পারে।সকালে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলতার বিভিন্ন বুথে অশান্তির খবর সামনে আসে। কয়েকটি বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছে।এই বিষয়ে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। তিনি আরও জানান, ইভিএমে ইতিমধ্যেই যে ভোট পড়েছে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুনরায় ভোট করানোই একমাত্র উপায়।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মধ্যেই বড় অশান্তি! লাঠিচার্জ থেকে ইভিএম কাণ্ডে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালানো হয়। ভোটের দিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী।বুধবার সকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা। এরপর তিনি সিআরপিএফ ক্যাম্পে গিয়ে ডিজি জি পি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়।এরই মধ্যে ফলতার বেলসিংহা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দুপুরের দিকে দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এলাকায় টহল শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে। তিনি একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ দখল করে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal